

স্বজনদের অভিযোগ, পাইলসের অপারেশনের জন্য আলমগীর হোসেনকে ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে অপারেশন টেবিলেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে তারা জানান।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সুশীল সমাজ ও নেটিজেনদের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—প্রয়োজনীয় চিকিৎসা-শিক্ষা ও অনুমোদন ছাড়া কোনো গ্রাম্য চিকিৎসক কীভাবে পাইলসের মতো জটিল রোগের অস্ত্রোপচার করতে পারেন?

স্থানীয়দের অভিযোগ, গোলাম মোস্তফা দীর্ঘদিন ধরে পাইলসসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচার করে আসছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এবং তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার বৈধতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
এদিকে, একজন গ্রাম্য চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসা কার্যক্রম কীভাবে পরিচালনা করে আসছেন এবং এর পেছনে কারও আশ্রয়-প্রশ্রয় রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
আলমগীর হোসেনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণে যথাযথ তদন্ত, প্রয়োজনে ময়নাতদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসাকেন্দ্রের বৈধতা যাচাই করে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ।
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসক গোলাম মোস্তফার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।
ঘটনাটি নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।