
মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মুকুল,,
শ্যামনগর উপজেলার সুনামুগারি গ্রামের একটি অসাধুচক্র বেশ কয়েকদিন ধরে গ্রামের অশিক্ষিত নিরীহ সাধারণ মানুষকে সরকারি অনুদান দেওয়ার নামে তাদের ছবি টিপসই হাতের আঙ্গুলের ছাপ, চোখের ফিঙ্গার ও মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে এই সকল সাধারণ নিরীহ মানুষরা বিভিন্ন জেলায় প্রতারণা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হওয়ার পর টনক নড়ে গ্রামবাসীর। গোপালপুর গ্রামের সুপেন মন্ডল সহ কয়েকজন ফেনী জেলা আদালত থেকে জামিন দিয়ে এসেছেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, সোনামুগারি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের পুত্র তামিম ইকবাল রনি, কেরামত গাজীর পুত্র রফিকুল ইসলাম, টুটুল হোসেনের পুত্র রাকিবুল হোসেন রাজু, মৃত বাবলু গাজীর পুত্র ইমরান হোসেন বাপ্পি, সুশান্ত মন্ডল এর স্ত্রী শেফালী রানী চৌকিদার ও শ্যামনগর বাজারে বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানির সিম বিক্রেতা নকিপুর গ্রামের ফরিদ হোসেন । ২০২৪ সালে উপজেলার সদর গোপালপুর সোনামুগারি সহ আশপাশের গ্রামের শত শত বয়জেষ্ঠ মানুষ সহ অশিক্ষিত নারী পুরুষের ছবি, আঙ্গুলের ছাপ,চোখে ফিঙ্গার, স্বাক্ষর ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে এ সকল নিরীহ লোকজন বিভিন্ন জেলায় প্রতারণা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আসামি হয়েছে। অনুসন্ধানে আরোও জানা যায়, সংগৃহীত এ সকল ন্যাশনাল আইডি কার্ড মোবাইল নাম্বার ফিঙ্গার নিয়ে বিকাশ ও নগদ অ্যাকাউন্ট খুলে লক্ষ লক্ষ টাকা লেনদেন হচ্ছে। জুয়া সহ একাধিক অবৈধ কার্যক্রমের সাথে জড়িত এই অ্যাকাউন্ট।
অবশেষে শতাধিক ভুক্তভোগীরা একত্রিত হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ রনি খাতুন শ্যামনগর থানা নির্বাহী কর্মকর্তা কে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।