কৈখালির তরুণ নেতা শাহ আলমকে ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ, নেটিজনদের প্রতিবাদ
বাংলা প্রতিদিন ডেস্কঃ মোঃ আব্দুর সবুর খান।
শ্যামনগরের কৈখালী এলাকার উদীয়মান তরুণ নেতা গাজী শাহ আলমকে নিয়ে ধারাবাহিকভাবে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় নেটিজন ও সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, সাতক্ষীরা থেকে পরিচালিত একটি অনলাইন পোর্টাল দীর্ঘদিন ধরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গাজী শাহ আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করে তাঁর সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে তাঁকে সন্ত্রাসী, মানবপাচারকারী, মাদক কারবারি, চাঁদাবাজ ও দখলবাজ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। তবে স্থানীয়দের মতে, এসব সংবাদের সঙ্গে বাস্তবতার মিল পাওয়া যায়নি।
প্রথমদিকে বিষয়টি সাধারণভাবে দেখলেও পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়। গাজী শাহ আলমকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদগুলোকে “বিভ্রান্তিকর” ও “অপপ্রচার” উল্লেখ করে শত শত নেটিজন মন্তব্যের মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী এলাকার সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান গাজী শাহ আলম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন বলে জানা যায়। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনসহ বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে তাঁর সমর্থকদের দাবি। এছাড়া ২০১৬ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কৈখালী ইউনিয়ন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।
স্থানীয় সুশীল সমাজের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর একটি মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাঁকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। তাদের মতে, পরিকল্পিতভাবে একের পর এক সংবাদ প্রকাশ করে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা আরও বলেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা ও মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা সংশ্লিষ্ট অনলাইন পোর্টাল ও সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চা এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা বজায় রেখে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন।